ইউনিকোড থেকে বিজয় কনভার্টার

ইউনিকোডের বাংলা লেখাকে সুতনি এমজে ফন্টের বিজয় লেখায় বদলে নিন, ছাপা আর ডিজাইনের কাজের জন্য।

  • ব্যবহার বিনামূল্যে
  • যেকোনো ডিভাইসে কাজ করে
  • আপনার ডিভাইসেই থাকে
  • লেখা আর ফাইল আপনার ব্রাউজারেই থাকে
  • ইংরেজি শব্দ ইংরেজিই থাকে
  • ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ারপয়েন্ট আর পিডিএফ
  • যে অক্ষর চেনে না তাতে দাগ দেয়

Bijoy · Unicode

কোন বিজয় কোডে লিখবেন

এখনকার সুতনি এমজে (SutonnyMJ) ফন্টে নতুন কোডই ঠিক। পুরোনো কম্পিউটার বা সফটওয়্যারে ক্ষ-এর মতো অক্ষর ভুল দেখালে তবেই পুরোনো কোড বেছে নিন।

০টি অক্ষর · ০টি শব্দ

বিজয় লেখা

বিজয় লেখা এখানে দেখাবে।

এই লেখা শুধু সুতনি এমজে (SutonnyMJ) ফন্টে ঠিকঠাক বাংলা দেখায়। এখানে ইংরেজি অক্ষরের মতো দেখাচ্ছে, এটাই স্বাভাবিক।

ওয়ার্ডে সুতনি এমজে ফন্ট দেবেন যেভাবে
  1. লেখাটা ওয়ার্ডে পেস্ট করুন।
  2. Ctrl+A চেপে পুরোটা সিলেক্ট করুন।
  3. Home ট্যাবে ফন্টের ঘরে SutonnyMJ লিখে Enter চাপুন।
  4. ইংরেজি শব্দগুলো আলাদা করে সিলেক্ট করে কোনো ইংরেজি ফন্ট দিন।

ওই কম্পিউটারে সুতনি এমজে ফন্ট ইনস্টল করা থাকতে হবে। না থাকলে লেখা ইংরেজি অক্ষরই থেকে যাবে।

পুরো ফাইল কনভার্ট করুন

ওয়ার্ড, এক্সেল আর পাওয়ারপয়েন্ট ফাইলের বাংলা লেখা বিজয়ে বদলে সুতনি এমজে ফন্ট বসানো হয়। ফাইলটা ফেরত পাবেন নামের শেষে -bijoy লাগানো অবস্থায়।

ফাইল এখানে টেনে এনে ছাড়ুন

ওয়ার্ড (.docx), এক্সেল (.xlsx), পাওয়ারপয়েন্ট (.pptx) বা .txt

আপনার লেখা বা ফাইল এই ব্রাউজারেই থাকে। আমাদের সার্ভারে কিছু যায় না, আর পেস্ট করা লেখা কোথাও সেভ হয় না।

ইউনিকোড থেকে বিজয় টুলে যা যা পাবেন

ইউনিকোড বাংলাকে বিজয়ে (সুতনি এমজে) বদলে নিন, প্রেস আর পুরনো সফটওয়্যারের জন্য। বিনা খরচে, আপনার ব্রাউজারেই।

আপনার লেখা

  • পেস্ট করলেই বদলে যায়, কোনো বাটন চাপতে হয় না
  • ৫০,০০০ অক্ষরের বেশি লেখা ভাগ করে বদলানো হয়, সাথে দেখা যায় কতটা হলো
  • যা দেখছেন হুবহু তা-ই কপি করুন, অথবা .txt ফাইল হিসেবে নামিয়ে নিন
  • লেখাটা আসলে উল্টো ধরনের হলে বুঝে ফেলে, আর দিক বদলাতে বলে

ইংরেজি মেশানো লেখা

  • ইউনিকোডে বদলানোর সময় ইংরেজি শব্দ ইংরেজিই রেখে দেয়
  • কোন শব্দগুলো রেখে দিয়েছে তা দেখায়, একটায় চাপ দিলে সেটাও বদলে যায়
  • একটা সারাংশ: কত শব্দ বদলেছে, কতটা রেখে দিয়েছে, কোন অক্ষর চিনতে পারেনি
  • যে অক্ষর চিনতে পারে না তাতে দাগ দিয়ে দেখায়, বাদ দিয়ে দেয় না

ফাইল

  • ওয়ার্ড, এক্সেল আর পাওয়ারপয়েন্ট: শুধু বিজয় ফন্টের লেখা বদলায়, ইংরেজি লেখায় হাত পড়ে না
  • টেবিল, বোল্ড, সাইজ আর রং যেমন ছিল তেমনই থাকে
  • পিডিএফ: বিজয় ফন্টের লেখা পড়ে ইউনিকোডে বদলে দেয়
  • সবকিছু আপনার ব্রাউজারেই থাকে, কোথাও আপলোড হয় না

কীভাবে কাজ করে

তিন ধাপে ইউনিকোড থেকে বিজয় কনভার্টার

পেস্ট করুন বা ফাইল দিন

ইউনিকোডের বাংলা লেখা বক্সে পেস্ট করুন। অথবা বক্সের নিচে ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ারপয়েন্ট বা .txt ফাইল টেনে এনে ছাড়ুন।

বিজয় লেখা কপি করুন

পেস্ট করার সঙ্গে সঙ্গে বিজয় লেখা চলে আসে। এখানে এটা ইংরেজি অক্ষরের মতো দেখায়, এটাই স্বাভাবিক।

সুতনি এমজে ফন্ট দিন

ওয়ার্ডে বা ডিজাইনের সফটওয়্যারে লেখাটা সিলেক্ট করে SutonnyMJ ফন্ট বেছে নিন। ইংরেজি শব্দ থাকলে সেগুলোতে ইংরেজি ফন্ট দিন।

ইউনিকোড থেকে বিজয় কনভার্টার নিয়ে সচরাচর জিজ্ঞাসা

ফলাফল ইংরেজি অক্ষরের মতো দেখাচ্ছে কেন?

বিজয় বাংলা লেখাকে ইংরেজি অক্ষর আর চিহ্ন দিয়ে রাখে, আর সুতনি এমজে (SutonnyMJ) ফন্ট সেগুলোকে বাংলা করে দেখায়। ফন্টটা না থাকলে অক্ষরগুলোই দেখা যায়, যেমন “Avwg evsjvq”। ওয়ার্ডে লেখাটা সিলেক্ট করে SutonnyMJ বেছে নিন, তখন বাংলা পড়া যাবে।

এখনো বিজয় লাগে কেন?

অনেক ছাপাখানা, পত্রিকা আর পুরোনো ডিজাইনের কাজে এখনো সুতনি এমজে ফন্টে বিজয় লেখাই চায়। অন্যদিকে ওয়েব, ফোন আর ইমেইলে চলে ইউনিকোড। তাই মূল কপিটা ইউনিকোডে রাখুন, আর কোনো কাজে বিজয় লাগলে তখন কনভার্ট করে নিন।

ইংরেজি শব্দগুলোর কী হবে?

বিজয়ে ইংরেজি অক্ষরগুলোও একেকটা কোড, তাই সুতনি এমজে ফন্টে ইংরেজি শব্দ উল্টাপাল্টা বাংলা অক্ষর হয়ে যায়। পেস্ট করা লেখায় ইংরেজি শব্দ বদলানো হয় না, আর ফলাফলের নিচের হিসাবে গোনা হয়। পেস্ট করার পর সেগুলো সিলেক্ট করে ইংরেজি ফন্ট দিয়ে দিন। ওয়ার্ড, এক্সেল আর পাওয়ারপয়েন্ট ফাইলে শুধু বাংলা লেখা বদলে সুতনি এমজে বসানো হয়।

ওয়ার্ড, এক্সেল বা পাওয়ারপয়েন্ট ফাইল কনভার্ট করা যায়?

যায়। লেখার বক্সের নিচে .docx, .xlsx বা .pptx ফাইল দিন। বাংলা লেখা বিজয়ে বদলে সুতনি এমজে ফন্ট বসানো হয়, আর ফাইলটা ডাউনলোড হবে নামের শেষে -bijoy লাগানো অবস্থায়। যে কম্পিউটারে ফাইলটা খুলবেন, সেখানে সুতনি এমজে ইনস্টল করা থাকতে হবে।

কোনো অক্ষর কনভার্ট না হলে কী হবে?

সেটা ফলাফলে রেখে দাগ দিয়ে দেখানো হয়, আর হিসাবেও গোনা হয়। সাধারণত এর মানে, ওই অক্ষর বা চিহ্নের কোনো বিজয় কোড নেই। ছাপাতে পাঠানোর আগে দাগ দেওয়া জায়গাগুলো দেখে নিন।

অনেক লম্বা লেখাতেও কি কাজ করে?

করে। লম্বা লেখা কয়েক ভাগে কনভার্ট হয়, তাই কাজ চলার সময়ও পেজ আটকে যায় না। কতদূর হলো, সেটা একটা প্রগ্রেস বারে দেখা যায়।

কপি করলে কি লেখায় বাড়তি কিছু যোগ হয়?

না। কপি বাটন ফলাফলের বক্সে যা দেখছেন, হুবহু সেটুকুই কপি করে। বাড়তি কিছু যোগ করে না।

আমার লেখা বা ফাইল কি কোথাও আপলোড হয়?

না। কনভার্ট হয় এই ব্রাউজার ট্যাবের ভেতরেই, তাই আপনার লেখা আর ফাইল আপনার ডিভাইসেই থাকে। পেস্ট করা লেখা কোথাও সেভ হয় না, ব্রাউজারেও না, তাই ট্যাব বন্ধ করলেই সব মুছে যায়।

এটি কি বিনামূল্যে?

হ্যাঁ। প্রতিটি টুল টাকা না দিয়ে এবং অ্যাকাউন্ট ছাড়াই কাজ করে। ফাইল সর্বোচ্চ ২০০ পেজ ও ৮০ MB হতে পারে, আর ব্যর্থ হওয়া কাজে আপনার কিছুই খরচ হয় না।

আমাকে কি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে?

না। সব টুল সাইন ইন ছাড়াই কাজ করে। অ্যাকাউন্ট থাকলে আপনার ঘণ্টার বরাদ্দ বাড়ে এবং আপনি কী কী প্রসেস করেছেন তা দেখতে পারেন।

ইউনিকোড থেকে বিজয় কনভার্টার নিয়ে গাইড ও লেখা

Bangla textপ্রেসে পাঠানোর আগে ইউনিকোড লেখা বিজয়ে রূপান্তর করবেন কীভাবে?লেখাটা ইউনিকোড থেকে বিজয় টুলে বদলে বাংলা অংশে সুতনি এমজে ফন্ট দিন, ইংরেজি শব্দে ইংরেজি ফন্ট রাখুন, তারপর কোটেশন, অঙ্ক আর কঠিন যুক্তাক্ষরগুলো মিলিয়ে দেখে পাঠান।Bangla textইউনিকোড থেকে বিজয় করলে ইংরেজি লেখা বাংলা হয়ে যায় কেনবিজয়ের বাংলা নিজেই ইংরেজি অক্ষর দিয়ে বানানো, তাই SutonnyMJ ফন্ট ইংরেজি শব্দকেও বাংলা হিসেবে আঁকে; পুরো ফাইল দিয়ে কনভার্ট করলে ইংরেজি নিজের ফন্টে থেকে যায়, আর পেস্ট করে কনভার্ট করলে ওয়ার্ডে ইংরেজি শব্দগুলোতে আলাদা করে ইংরেজি ফন্ট দিতে হয়।Bangla textনিকস, সুতনি এমজে আর ইউনিকোডের পার্থক্য কী?ইউনিকোড হলো লেখা জমা রাখার নিয়ম, কোনো ফন্ট নয়। নিকস একটা ইউনিকোড বাংলা ফন্ট, আর সুতনি এমজে বিজয়ের ফন্ট, যা ইংরেজি অক্ষরের জায়গায় বাংলা এঁকে দেখায়। ওয়েবসাইট, ফেসবুক, ফোন আর অনলাইন ফর্মে ইউনিকোড লাগে; সুতনি এমজে লাগে মূলত বিজয়ে চলা প্রেস আর ডিজাইনের কাজে।

সম্পর্কিত টুল

সব PDF টুল · আপনার ফাইল কীভাবে সামলানো হয়

আরও: বিজয় থেকে ইউনিকোড কনভার্টার